শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন

করোনা ভ্যাকসিন পৌঁছেছে সব জেলায়

অনলাইন ডেক্স :
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৬ পাঠক পড়েছে

দেশের সকল জেলায় করোনা ভ্যাকসিন পৌঁছানোর কাজ শেষ হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলাগুলোতে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে পাওয়া ৫০ লাখ ভ্যাকসিন পৌঁছে দিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি।

বেক্সিমকোর ভ্যাকসিন সরবরাহের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা জানান, শনিবার পর্যন্ত ২৬ লাখ ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়া হয়েছিল। রবিবার আরও ২৪ লাখ ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বেক্সিমকোর এই কর্মকর্তা জানান, রবিবার ২৫টি জেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে ভ্যাকসিন হস্তান্তর করা হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র বলছে শনিবার রাত ২টার সময় ভ্যাকসিনের সব শেষ চালান নিয়ে পাঁচটি জেলার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ফ্রিজার ভ্যানগুলো। জেলাগুলো হচ্ছে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এবং চাঁদপুর। ভ্যাকসিনের গাড়ির নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

গত ২৫ জানুয়ারি দেশে ৫০ লাখ ভ্যাকসিন আসে। এই ভ্যাকসিন প্রথমে গাজীপুরের টঙ্গি বেক্সিমকোর সংরক্ষণাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ভ্যাকসিনগুলো দেশের সব জেলায় পৌঁছানোর কাজ রবিবার শেষ হলো। ভ্যাকসিন পাওয়ার পর এখন সেগুলো প্রয়োগের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হবে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যায়র আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনগুলো ইতোমধ্যে দেশের ৫৬৬ জনের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কারও দেহেই কোন পার্শ^প্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রটোকল অনুযায়ী কিছু মানুষকে ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কারও পার্শ^প্রতিক্রিয়া দেখা যায় কিনা তা দেখার জন্যই এই ব্যবস্থা বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যায়র আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে বিশ্বখ্যাত ভারতীয় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। সেখান থেকে তিন কোটি ভ্যাকসিন কিনেছে বাংলাদেশ। এর প্রথম চালানে ৫০ লাখ ভ্যাকসিন এসেছে। এরপর প্রতিমাসে সেরাম আরও ৫০ লাখ করে ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে। সব মিলিয়ে এই ভ্যাকসিন দিয়ে দেড় কোটি মানুষকে প্রয়োগ করা যাবে। পর্যায়ক্রমে জুন পর্যন্ত এই ভ্যাকসিন আসতে থাকবে। তবে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় চলান আবার কবে আসবে সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

স্টাফ রিপোর্টার খুলনা থেকে জানান, খুলনায় একলাখ ৬৮ হাজার ডোজ করোনার টিকা পৌঁছেছে। মহানগরীর সামসুর রহমান রোডের স্কুল হেলথ ক্লিনিকে রবিবার দুপুর ১২টায় এসে পৌঁছায় এসব টিকা। টিকা সংরক্ষণে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য সর্বক্ষণিক বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা পেতে খুলনায় একলাখ ৬৮ হাজার করোনার টিকার ডোজ এসে পৌঁছেছে। যারা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয়েছেন বা হবেন তারাই এ ডোজ নিতে পারবেন।

তিনি জানান, প্রথম ধাপে খুলনা সদর হাসপাতাল, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, রেলওয়ে হাসপাতাল, বিজিবি হাসপাতাল, তালতলা হাসপাতাল ও লাল হাসপাতালে করোনার টিকা দেয়া হবে। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ টিকা দেয়া হবে।

জানা গেছে, নগরীর টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ। এ কর্মসূচী সফল বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে সভাপতি ও একই সংস্থার চীফ মেডিক্যাল অফিসারকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে উপদেষ্টা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) সভাপতি ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম থেকে জানান, বেক্সিমকো ফার্মার তত্ত্বাবধানে কুড়িগ্রামে ৬০ হাজার করোনার টিকা এসে পৌঁছেছে। রবিবার দুপুর ২টার দিকে কুড়িগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের টিকা সংরক্ষণাগারে পৌঁছায় এই টিকা। বেক্সিমকো ফার্মার সেলস, ইন্টেলিজেন্স ও মনিটরিং ইউনিটের সদস্য রাশেদুল ইসলাম জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে এই টিকা বুঝিয়ে দেন। টিকা গ্রহণ করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ বোরহান উদ্দিন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সুজাউদ্দৌলাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলাম জানান, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে। সে লক্ষ্যে মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। নিধার্রিত এ্যাপসের মাধ্যমে টিকা গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা নিবন্ধন করতে পারেন। পর্যায়ক্রমে তাদের টিকা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার থেকে জানান, কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছে করোনাভাইরাসে ৮৪ হাজার পিস টিকা। রবিবার সকাল ১০ টায় পুলিশ পাহারায় একটি ভ্যানে করে এসব টিকা এসে পৌঁছায় জেলা ইপিআই কেন্দ্রে। সেখানে টিকাগুলো বুঝে নেন কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডাঃ মাহাবুবুর রহমান। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বহুল প্রত্যাশিত ৮৪ হাজার করোনাভাইরাসের টিকা বুঝে পেয়েছি। প্রথমে কক্সবাজারে সদর হাসপাতালে এই টিকা দেয়ার কার্যক্রম চলবে। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়েও এই কার্যক্রম চলবে। টিকা দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে প্রতি উপজেলা থেকে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে বাছাই করে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ৮৪ হাজার টিকার মধ্যে ৭২ হাজার কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য বাকি ৮ হাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেয়া হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা রংপুর থেকে জানান, রংপুর জেলায় প্রথম ধাপে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য দুই লাখ চল্লিশ হাজার ডোজ টিকা এসে পৌঁছেছে। রবিবর ভোর ছয়টার দিকে ভ্যাকসিনবাহী বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস্- এর ফ্রিজার ভ্যানটি জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছায়। এ সময় সিভিল সার্জনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা ভ্যান থেকে টিকার ১৭টি কার্টন নামিয়ে ইপিআর স্টোরে সংরক্ষণ করেন।

জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ হিরম্ব কুমার রায় বলেন, ঢাকা ফ্রিজার ভ্যানে পাঠানো থেকে টিকার ১৭টি কার্টন রংপুরে এসে পৌঁছেছে। কোল্ড চেইন মেইনটেন করে ইপিআই স্টোরের আইএলআর ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে এসব ভ্যাকসিন। প্রতি কার্টনে এক হাজার ২০০ ভায়াল রয়েছে। প্রতি ভায়ালে ১০টি করে ডোজ রয়েছে।

রংপুরে প্রথম ধাপে ৭ উপজেলায় সাতটি এবং সিটি কর্পোরেশনের ছয়টি বুথের মাধ্যমে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকা প্রয়োগ শুরু হবে জানিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, জেলায় প্রথম ধাপে ২ লাখ ৪০ হাজার এই টিকা পাবে। সিটির ভেতরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং উপজেলাগুলোতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এসব টিকা দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে আরও ডোজ আসলে নিয়মমাফিক এসব টিকা দেয়া হবে।

এদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের দিনাজপুর জেলায় আট কার্টন, কুড়িগ্রামে পাঁচ কার্টন, লালমনিরহাটে তিন কার্টন, গাইবান্ধায় ছয় কার্টন, নীলফামারীতে পাঁচ কার্টন, পঞ্চগড়ে দুই কার্টন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে চার কার্টন সরবরাহ করা হবে। সে হিসেব অনুযায়ী বিভাগে প্রথম ধাপে ৬ লাখ ৪৮ হাজার ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম থেকে জানান, রবিবার ঢাকা থেকে সাড়ে ৪ লাখেরও বেশি ডোজ করোনার ভ্যাকসিন চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। কোল্ড চেইন বজায় রেখে ৩৮ কার্টনে আনা এসব ভ্যাকসিন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই স্টোরে রাখা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ সেখ ফজলে রাব্বি জানান, ভ্যাকসিনের জন্য নগর ও জেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকাভুক্তদের মাঝে এ ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। ইপিআই কর্মসূচীর মতো করোনার টিকা প্রদান করা হবে। গত ৩০ জানুয়ারি থেকে মহানগরীতে টিকাদান প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরু হয়েছে। আজ থেকে শুরু হবে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকাদান কর্মসূচী শুরু করার কথা রয়েছে। সিভিল সার্জন অফিস আরও জানিয়েছে, করোনার টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে মোট ৪২টি টিম। টিকাদানকারী হিসেবে ২ জন মিডওয়াইফ, স্টাফ নার্স এবং চারজন স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বয়ে প্রতি টিমে ছয়জন থাকবে। চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর তত্ত্বাবধানে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ইতোমধ্যে নগর এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫ টিকাদান কেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে ভ্যাকসিন প্রদান কমিটি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- চমেক হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম সেনানিবাস হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতাল, নৌবাহিনী হাসপাতাল, বিমান বাহিনী হাসপাতাল, বন্দর হাসপাতাল, চসিক পরিচালিত বন্দরটিলা হাসপাতাল, মোস্তফা হাকিম মাতৃসদন হাসপাতাল, সাফা মোতালেব মাতৃসনদ হাসপাতাল, ইউএসটিসি হাসপাতাল, সাউদার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরা থেকে জানান, প্রথম চালানে সাতক্ষীরা জেলায় ৬০ হাজার ডোজ করোনা টিকা এসে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ফ্রিজার গাড়িযোগে রবিবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা এসে পৌঁছায় এসব টিকা। সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত জানিয়েছেন।

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী থেকে জানান, নীলফামারীতে ৬০ হাজার ডোজ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন টিকা পৌঁছেছে। রবিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে টিকা বহনকারী একটি ফ্রিজারভ্যানে সিভিল সার্জন অফিসের ইপিআই স্টোরে সংরক্ষণ করা হয়।

টিকা গ্রহণ করেন সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দফতর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ ইমরুল মোজাক্কিন, জেলা ড্রাগ সুপার কাজী মহম্মদ ফরহাদ প্রমুখ।

নিজস্বসংবাদদাতা নোয়াখালী থেকে জানান, জেলায় এক লাখ ৪ হাজার ডোজ করোনা ভ্যাকসিন। রবিবার দুপুরে ভ্যাকসিনগুলো জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়। পরে তা রাখা হয় সিভিল সার্জনের ইপিআই এর বিশেষায়িত কক্ষে। বিকেলে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মাসুম ইফতেখার জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত যারা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করবে তাদের প্রশিক্ষণ চলবে। প্রশিক্ষণ শেষ হলে সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হবে।

ঠাকুরগাঁও ॥ ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছে মহামারী করোনা প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন টিকার প্রথম চালান।

রবিবার সকাল ৯টায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল-এর একটি গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয় করোনার এসব ভ্যাকসিন। এ সময় সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ ভ্যাকসিনগুলো বুঝে নিয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের স্টোর রুমে সংরক্ষণ করেন।

এ সময় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার জন্য প্রথম পর্যায়ে ৪৮শ’ ভায়াল ভ্যাকসিন পৌঁছেছে। সিভিল সার্জনকে সভাপতি করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যদের নিয়ে ছয় সদস্য বিশিষ্ট করোনা ভ্যাকসিন রিসিভ কমিটি রয়েছে। সেই কমিটি রবিবার ভ্যাকসিনগুলো রিসিভ করেছে। প্রতিটি ভায়াল থেকে ১০ জনের মাঝে ভ্যাকসিন প্রদান করা যাবে। অর্থাৎ ৪৮শ’ ভায়াল থেকে এ জেলার ৪৮ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তীতে আরও ভ্যাকসিন আসবে।

ঠাকুরগাঁও জেলায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580