রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

ভাঙ্গুঁড়ায় আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতা, কালভার্টের মুখে বাধ।

অনলাইন ডেক্স :
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২ পাঠক পড়েছে

বন্যার পানি নেমে যেতে শুরু করলেও পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কালভার্টের মুখ আটকিয়ে প্রায় ১ হাজার বিঘা তিন ফসলি আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে । বন্যার পানি নিষ্কাশনের সুযোগ না পেয়ে এই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। উপজেলার খান মরিচ ইউনিয়নের সুলতান পুর এলাকার কানা বিলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তিন ফসলি জমি জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে অনাবাদি রয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসির অভিযোগ ভাঙ্গুড়া টু নওগাঁ সড়কের সুলতান পুর কবর স্থানের বটতল মোড় হতে খানমরিচ মাহতাব সরকারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় পানি নিষ্কাশনের একমাত্র কালভার্টকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে । পাশাপাশি এলজিএসপির অধীনে গত বছর নতুন দুটি কালভার্ট নির্মাণে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয় নি। ফলে ঐ বিলের প্রায় ১ হাজার বিঘা তিন ফসলি আবাদি জমিতে জলাবন্ধতা তৈরি হয়ে থাকে । বন্যার পানি নিষ্কাশনে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে উদ্ধর্তন

কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

সরেজমিন, বৃহসম্পতিবার খানমরিচ ইউনিয়নের সুলতান এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,ভাঙ্গুড়া- নওগাঁ সড়ক ও সুলতান পুর বটতলার মোড় – মাহাতাব সরকারের বাড়ি সড়কের মাঝখানে কানা বিল অবস্থিত। যেখানে প্রায় হাজার বিঘা আবাদি জমিতে বন্যা ও বৃষ্টির পানি জুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সুলতান পুর বটতলা মোড় থেকে মাহাতাব সরকারের বাড়ি সড়কের মাঝামাঝিতে করিম খানমরিচ গ্রামের রোস্তাম আলীর দুই ছেলে করিম ও মনির জমির সংলগ্ন স্থানে কয়েক দশক পুর্বে নির্মিত একমাত্র কালভার্ট। কিন্তু পানি নির্গত হওয়ার একমাত্র ঐ কালভার্টটির মুখে ইট,বালি ও সিমেন্ট দিয়ে বন্ধ করে দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর নির্মাণ করেছে তারা। ফলে কয়েক দশক আগে নির্মিত হওয়া কালভার্ট দিয়ে বর্তমানে আর পানি নির্গত হতে পারছে না। কানা বিলে অবস্থিত জমির মালিক সুলতার পুর গ্রামের বাসিন্দা ও কৃষক দুলাল আলী, মোজহারুল ইসলাম, ফজলার রহমান, মোশারফ হোসেন, সাত্তার, বেলাল জানান, কানা বিলের তিন ফসলি প্রায় ১হাজার বিঘা জমি পানি জুমে জলাবন্ধতা হয়ে এখন প্রায় কানা হয়ে আছে। তারা আরও জানান, এলাকাবাসির দাবির মুখে গত বছর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এলজিএসপির প্রকল্পের মাধ্যমে সুলতার পুর বটতলার মোড় টু মাহতাব সরকারের বাড়ি সড়কের মাঝামাঝিতে দুইটি কালভার্ট নির্মাণ করলে কৃষি জমি থেকে প্রায় তিন ফুট উচু সেই কালভার্ট । যার কারণে পানি নির্গত হলেও প্রায় আড়াই তিন ফুট পানি জমিতে থেকে যায়। তাই এই কানা বিলের পানি নিষ্কশনের ব্যবস্থা করে কৃষি জমি গুলি আবাদের উপযোগি করতে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে খান মরিচ ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্দা আসাদুর রহমান আসাদ বলেন, এলাকার অপরাজনৈতিক নামধারী কিছু ব্যক্তির নির্দেশে ওই কালভার্টের মুখে বাধ দিয়ে তারা ক্ষুদ্র পুকুরে মাছের চাষ করছেন ফলে কানা বিলের প্রায় হাজার বিঘা জমি বর্তমানে জলাবদ্ধতা। কানাবিলের জমির মালিকদের ভুমিকা নিয়ে তাদেরকে কালভার্টটির বন্ধ মুখ খুলে সরিয়ে ফেলা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580