বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

মুন্সিগঞ্জের পান এখন বিদেশ যাচ্ছে না, পানের বাজার মন্ধা।

অনলাইন ডেক্স :
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১ পাঠক পড়েছে

মুন্সিগঞ্জে পানের দামের বাজারে করোনার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর পানের ফলন ভালো হয়েছে বলে পান চাষিরা দাবি করছেন। তবে বর্তমানে পানের বাজার ভালো যাচ্ছে না বলে শোনা যাচ্ছে।মুন্সিগঞ্জের পান এখানকার বাজারের চাহিদা পূরণ করে বেশিরভাগ পান দেশের বাইরের বিদেশে পাঠানো হয় বলে এখানকার পান চাষিরা দাবি করছেন। কিন্তু করোনার জন্য সকল ধরণের বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় মুন্সিগঞ্জের পান এখন আর বিদেশে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না বলে পান চাষিরা জানিয়েছে। এ কারণে বর্তমানে এখনকার পান চাষিরা সেইভাবে পানের দাম পাচ্ছে না বলে পান চাষিরা এ অভিযোগ তুলে ধরেছেন।মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের রতনপুর এলাকায় প্রায় তিন হাজার বরোজের মাঝে পান চাষ করা হয়েছে চলতি মৌসুমে। আউয়াল তালুকদারের মালিকাধীন এখনকার বরোজের পরিচর্যাকারী আ: রহিম জানান, করোনার প্রকোপের সময় এখনকার বরোজের পান তেমনভাবে বিক্রি হয়নি।সেই সময়ে বরোজের পান বড় হওয়ার সাথে সাথে গাছের পান ছিড়ে ফেলতে হয়েছে তা না হলে পান গাছ বড় হতে পাওে না। তাই সেই সময়তে আমাদেরকে এ কাজ করতে হয়েছে প্রতিদিনই। এছাড়া পান গাছ বড় করতে পানের বৃত্তের তিন অংশ ভাগ করে করে আবাদের মাধ্যমে বরোজ বৃদ্ধি করতে হয়। এ জনপদে বন্যার পানি পৌঁছাতে পারেনি বরোজ এর জমি উঁচু থাকার কারণে। এখানকার পান মিষ্ঠি পান হিসেবে সকলের কাছে বেশি পরিচিত।গত বছরের তুলনায় এবছর পান উৎপাদন বেশী হয়েছে বলে এখনকার পান চাষিরা দাবি করছেন। এছাড়া বর্তমানে স্থানীয় পাইকারী বাজারে পান বিক্রি করে চাষিরা এখন কিছুটা ভালো দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন। তবে বিদেশে পান না পাঠাতে পারার কারণ হিসেবে তাদের পানের বাজার মন্ধা যাচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মুন্সিগঞ্জ সদরের রামপাল, পঞ্চসার, বজ্রযোগিনী ও মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার দেওভোগ, বৈখর ও রনছ এলাকায় ব্যাপক পানের আবাদ হয়েছে। এসব এলাকার পান চাষিরা তাদের উৎপাদিত পান মুন্সিরহাট, ধলাগাঁও বাজার, বেতকার হাট ও মুন্সিগঞ্জ বাজারসহ পার্শবর্তী জেলা নারায়নগঞ্জ বিভিন্ন পাইকারী হাটে বিক্রি করে থাকেন।৮০ টি পান একত্রে এক বিরা হিসেবে বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে। আর ৮০ বিরায় একত্রে এক গাদি হিসেবে বাজারে বিক্রি হয়। বর্তমান বাজারে বড় সাইজের একগাদি পান বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৬ হাজার টাকায়। আর ছোট এবং মাঝারি সাইজের একগাদি পানের দাম পাচ্ছে পানচাষিরা সাড়ে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকার মতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580