শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ১২:২০ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে আবারো কাটাখালী থানা পুলিশের নিরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে”

অনলাইন ডেক্স :
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০
  • ১ পাঠক পড়েছে

রাজশাহীর কাটাখালী থানা এলাকার শ্যামপুর বালুঘাটে, স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা যে, প্রকার্শে দিন দুপুরে মোঃ জিয়ারুলকে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছিল। সেই হত্যা মামলার প্রধান আসামী মোঃ জাকারুল, নতুন একটি বালুর তাগাড়ের রাস্তা করার জন্য নগর বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় করেছে। উক্ত গাছ কাটার আগাম সংবাদ জানতে পেয়ে, রাজশাহীর একাধীক সংবাদ কর্মি তাদের সংবাদমাধ্যম গুলোতে গাছ রক্ষার্থে গত ১২ই অক্টোবর ২০ইং তারিখ ঢালাও ভাবে সংবাদ প্রকাশ করে ছিলেন। তবুও স্থানীয় পুলিশ প্রাশাসন কোন ত্বোয়াক্কা করেনি। গাছ কাটায় ওই বনায়নের বনবিভাগ সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম কাটাখালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানি শোধনাগার থেকে শ্যামপুর নগরপাড়া পর্যন্ত বেড়িবাধের তিনধারে বনবিভাগের গাছ দেখাশুনা করছেন শ্যামপুর গোয়ালপাড়ার মহল্লার মৃত-খলিলুর রহামনের ছেলে সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, অভিযুক্তরা গত রোববার (১৮ই অক্টোবর) ২০ইং তারিখ। বিকালে বালুবাহী ট্রাক যাতায়াতের রাস্তা তৈরীর জন্য শ্যামপুর নগরপাড়া ও পানি শোধনাগার এর মাঝামাঝি বাধের দক্ষিন পাশে আকাশমনি গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। গাছ কাটার সাথে জড়িতরা হলেন, চর-শ্যামপুরে নগরপাড়ার মৃত -আজিজুলের ছেলে ১। জাকারুল (৩৭), ছয়ের আলীর ছেলে ২। নবাব আলী (৫৫), ময়েজ উদ্দিনের ছেলে ৩। আব্দুল আলীম (৪০), শ্যামপুর নগরপাড়ার সুকতার আলীর ছেলে ৪। আলহাজ (৩২) ও বদীউজ্জামানের ছেলে ৫। আব্দুস সালাম। অভিযোগকারী বলেন, বিষয়টি বনবিভাগ কর্মকর্তাদের জানালে তারা আইনের আশ্রয় নিতে বলেন। আমি কাটাখালী থানায় অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু থানা পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করছে। আসামিরা দিব্যি প্রকার্শে ঘুরে বেড়ালেও তাদের আটক করছে না। এব্যাপারে বনবিভাগের ওই এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বনবিভাগের এই গাছগুলো দেখভালের জন্য স্থানীয়দের সমিতি করে দেয়া হয়েছে। এই সমস্ত উপকারভোগিরা গাছ বিক্রির ৫৫ ভাগ টাকা পেয়ে থাকে। তিনি আরো জানান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী গাছ লাগানোর জন্য তাগিদ দিচ্ছেন, সেখানে বনবিভাগের গাছ নিজ প্রয়োজনে অবৈধভাবে কাটবে বালু বহনের রাস্তার জন্য-এটা হতে পারে না। এছাড়াও ওই এলাকাতে ২১টি বালুর তাগাড় চালু আছে। সেখানে আবার নতুন করে তাগাড় করার কোন প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, গাছ কাটার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কাটাখালী থানা অভিযোগ নিয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে এটা খুবই দু:জনক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাটাখালী পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নান্নু বলেন, নিজ প্রয়োজনে প্রকার্শে দিবালোগে সরকারি গাছ কেটে নিয়ে আসামিরা ঘুরবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে দোষিদেরকে আটক করে বিচারের কাঠঘড়াই দাড় করানো হোক। স্থানীয় জনগন মিডিয়ার কাছে অভিযোগ করে বলেন, কাটাখালী থানায় গিয়ে অধীকাংশ ভূক্তভোগিরা সুবিচার পান না। আরো জানান, কাটাখালী থানার পেটের মধ্যে শ্যামপুর নগরপাড়া এখানে হাত বাড়ালেই যে কোন মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, অত্র এলাকার মাদক সম্রাট রোকেয়া বেগম প্রকার্শে ফেন্সিডিল বিক্রি করেই চলেছে। তাকে থানা পুলিশ আটক না করার রহস্য কি ? তবেই কি? প্রশাসন মাসোহারা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় দিয়ে রেখেছেন? গুনিজনদের মতামত বর্তমান ওসির কাছ থেকে ন্যায় বিচারের আশা করাটা বোকার রাজ্যে বাস করার সামিল। তা’নাহলে গত ১২ই অক্টোবর ২০২০ইং তারিখ। গাছ কাটার পায়তারা কালে আগাম অভিযুক্তদের নাম দিয়ে একাধিক নিউজ পোটালে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। বা বালু ব্যবসায়ী সমিতির কোন সদস্যের কাছে এবিষয়ে জানতেও চাননি। আবার সকল অভিযুক্তরা প্রকার্শে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদেরকে আটক করছে না। এ বিষয়ে রাজশাহীবাসী নিউজের মাধ্যমে রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি মহোদ্বয় ও সরকারের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580