রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ এর বিরুদ্ধে স্বর্ন কেলেঙ্কারির অভিযোগ”

অনলাইন ডেক্স :
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩ পাঠক পড়েছে

রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) শ্রেষ্ঠ ওসি বোয়ালিয়া মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ। এবার তার বিরুদ্ধে সোনা কেলেঙ্কারির অভিযোগ। অভিযোগ ৪ টি সোনার বার আটকের পর ২ টি তারা গায়েব করেছেন, ওসি ও তার টিমের এসআই মতিন। সোনা গায়েব নিয়ে গত তিন দিন ধরে পুলিশের ভেতরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর আগে সম্প্রতি এই ওসির বিরুদ্ধে এক ছাত্রী ধর্ষণ মামলা জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। আসামিকে বাঁচাতে মামলায় তারিখ ইচ্ছেকৃতভাবে ওসি এবং এসআই মিলে পরিবর্তন করে, দেন বলে ওই ছাত্রী অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করছে পিবিআই। ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, গত (১লা অক্টোবর) কাতার প্রবাসী শ্রমিক আজিজুল ও ফারুক দুটি করে সোনার বার নিয়ে দেশের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফিরছিলেন। গত (১লা অক্টোবর) ওই দুই শ্রমিককে বর্ণালীর মোড় এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে নেন এসআই মতিন। দুটি সোনার বারসহ (২রা অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেফতার করে আজিজুল ও ফারুককে আদালতে চালান করা হয়।পরিবারের অভিযোগ, ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ও এসআই মতিন যোগসাজশে ২টি সোনার বার গায়েব করেছেন। মামলায় না দেয়া ২টি সোনার বার ফেরতের জন্য তাদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকাও নিয়েছেন মতিন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর ফেরত দেননি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই শ্রমিকের বাড়ি ও এসআই মতিনের গ্রামের বাড়ি একই জায়গায় এবং তারা পরস্পরের অভিযোগকারী, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আড়াই বছর কাতারের দোহায় শ্রমিক হিসেবে কাজ শেষে গত (১লা অক্টোবর) ইউএস বাংলার বিএস-৩৩৪ নম্বর ফ্লাইটে সকাল ৮’০০ টায় সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের আজিজুল ইসলাম (৪০) ও ফারুক হোসেন। ওই দিনই তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি বাসে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন।
এ ঘটনায় এসআই মতিন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনি দাবি করেছেন, আজিজুল ও ফারুকের
দেহ তল্লাশি করে ২টি সোনার বার পাওয়া যায়। যার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনা আনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।সোনার ২টি বার গায়েবের বিষয়ে এসআই আবদুল মতিন বলেন, আসামিরা বিদেশ থেকে সোনা চোরাচালান করে এনেছে। এ অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করে মামলা করা হয়েছে। ২টি সোনার বার ফেরতের জন্য ৫ লক্ষ টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। অন্য অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই বলে তার দাবি। বোয়ালিয়া মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, ২জনের কাছে ২টি সোনার বার পাওয়া যায়। ২টি দিয়েই মামলা দেয়া হয়েছে।
Attachments area

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580